Monday, 31 October 2016

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম আমরা

আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম আমরা – এই গানের কথা সত্যি ছিল এক সময়। কিন্তু আজকাল এর সত্যতা কিছুটা হলেও ক্ষীন হয়ে যাচ্ছে এক দল গোষ্ঠী ও মৌলবাদের কারনে। মুসলমানদের ঈদ আর হিন্দুদের পূজাতে কি না মজা হত? ঈদে পাশের বাড়ির হিন্দুরা পাশের বাড়ির মুসলমানের ঘড়ে গিয়ে ঈদ উৎসব করত । শেমাই খেতআমরা বেশ কিছু বন্ধু মিলে মুসলমান বন্ধুদের বাসায় সেমাই আর কত  কি খেতে যেতাম। অনেক আড্ডা, গল্প আর আনন্দ করতাম । আসলে সত্যি বলতে কি কখন এই বিভেদটাই মনে আসত না যে ওরা মুসলমান বন্ধু! বন্ধুত্বে আবার হিন্দু- মুসলিম কি? বন্ধু তো বন্ধুই। সুখে-দুঃখে যারা সব সময়ের সাথী। হিন্দুদের পূজাতে অনেক মুসলমান বন্ধুরা আসত। আমরা সবাই মিলে আনন্দ করতাম এসব উৎসবে। লক্ষ্মী পূজোর নাড়ু কার না ভাল লাগে বলুন? সব ধর্মীয় উৎসবে আনন্দের আমেজ বইত সবার মধ্যে।
কিন্তু যখন শুনি কোন “এক হিন্দু সম্প্রদায়ের এক যুবক ফেসবুকে উসকানিমূলক একটি ছবি পোস্ট করার দায়ে দুই শতাধিক হিন্দু বাড়িঘর ১৫টি মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে এবং  পিটিয়ে আহত করা হয়েছে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষকে”(সুত্রঃ প্রথম আলোর)তখন ভাবুন যে, আমরা কিভাবে দাবি করি আমরা অসাম্প্রদায়িক? কিভাবে আমরা বলি যে আমরা সবাই মানুষ? এভাবে করে কি সত্যি আমরা সুন্দর আর শান্তিময় পৃথিবী গড়তে পারব?    

     

Visit Youtube

Saturday, 6 August 2016

বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্মরণে



"আজি হতে শতবর্ষ পরে
কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি
কৌতূহলভরে--
আজি হতে শতবর্ষ পরে" ।।



হ্যা শত, সহস্র বছর পার হবে তবু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প, উপন্যাস, গান বা কবিতা সবই কৌতূহলভরে আমরা পড়ব । রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে যে প্রদ্বীপ জ্বালিয়ে গেছেন তা যুগ যুগ ধরে প্রজ্জ্বলিত থেকে আমাদের সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখবেন।
রবী ঠাকুরের ছিল অনন্ত প্রেম।
তাই তার কবিতার তিনি লিখেছিলেন-

তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শতবার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয় গাঁথিয়াছে গীতহার
কত রূপ ধরে পরেছ গলায়, নিয়েছ সে উপহার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার ।।

তিনি বেদনাকে মধুরতায় প্রকাশ করেছিলেন । তাই তো তার গানে পাওয়া যায়- 

"বিরহ মধুর হল আজি মধুরাতে ।
গভীর রাগিণী উঠে বাজি বেদনাতে" ।।

রবী ঠাকুর এর অধিকাংশ কবিতা বা গানে যে ভাবটা বেশি পাওয়া যায় তা হল -
স্রষ্টার প্রতি গভীর ভালবাসা ও প্রেম। তাই তার অনেক কবিতা ও গানে সে সুর আর কথা প্রকাশ পায়।

"তুমি মোর আনন্দ হয়ে
ছিলে আমার খেলায়
আনন্দে তাই ভুলে ছিলেম
কেটেছে দিন হেলায়
গোপন রহি গভীর প্রানে
আমার দুঃখ সুখের গানে

সুর দিয়েছ তুমি , আমি তোমার গান তো গাই নি

আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে
দেখতে আমি পাইনি , আমি দেখতে আমি পাইনি" 




Friday, 22 July 2016

শান্তি আর অশান্তির মাঝ থেকে লেখা

চারদিকে শুধু ধ্বংস আর বিষাধের আর্তনাদ । একবিংশ শতাব্দি যেন ক্রন্দনে ভাসিতেছে । যে দিকেই তাকাই সেদিকেই যেন ভয় আর বুক ফাটা কান্না ।

মনুষ্যত্ব, বিবেক, মানবতা, সত্য, ন্যায়, ভালবাসা এসব শব্দ আজ শুধু পুস্তকেই পরে থাকে । শুধু পাস আর ডিগ্রী লাভের আশায় এদেরকে খোলা হয় । শতাব্দির পর শতাব্দি কেটে যাচ্ছে । অনেকেই বলেন যে, "মনুষ্য সভ্যতার নাকি ব্যাপক উন্নতি সাধন হয়েছে " । এই কি তার নমুনা ??? ধরিত্রী আজ শ্বাস নিতে পারছে না সর্বত্র খুন, হত্যা, ধর্ষণ, গুম, মিথ্যা, অনাচার, লোভ ধরণীকে বিষিয়ে তুলছে । কিসের জ্ঞান আর কিসের বিজ্ঞান ? শুধু আরাম আর বিলাশ জীবন কাটানোর জন্য কি মানুষ যা ইচ্ছে তা করবে ? কক্টেল, গোলাবারুদ, পিস্তল, রাইফেল, হাইড্রোজেন বোমা, পারমানবিক বোমা ইত্যাদি এসব কেন বানানো হয়েছিল বা হচ্ছে ?? মানুষ কত ধ্বংস করে উন্নতির শিখরে উঠতে পারে তা দেখানো জন্য ? কিছু মানুষ মানষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে এই অমানবিক কাজ করে চলছে । শুধু মাত্র কিছু মানুষ বিপদগামী হয়ে আজ তারা অন্য সব মানষের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে । সমাজে মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে সমাজের সব শান্তিপ্রিয় মানুষদেরকে অশান্তিতে ভোগাচ্ছে । তাই সেই সব বিপদগামী মানুষ যারা ইতিমধ্যে পথ ভ্রস্ট হয়েছে তাদেরকে জ্ঞান, আলো ও শান্তির পথে ফিরিয়ে আনা সব ভাল মানুষের কর্তব্য খুব জরুরী হয়ে দ্বাড়িয়েছে ।     

Thursday, 24 March 2016

এবার সর্বনিম্ন মনুষ্যত্ব জ্ঞানটুকু অর্জন না করলেই নয়


আজ কাল খবরের কাগজ পড়লেই শোনা যায় কিছু কমন কথা- হত্যা, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি । ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধ কেউ নিরাপদে নেই। মানুষ সব সময়  ভয় আর আতংকে বাস করতেছে । সর্বত্র ধর্ষণ, হত্যা আর খুন এর মহাযজ্ঞ চলছে । 
যে শিক্ষা মানুষকে আসল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে সে শিক্ষা দিতে আমরা তাহলে ব্যর্থ হচ্ছি ?  

একটা শিশু ভাল মানুষ হয়ে উঠবে কি না তা নির্ভর করে -

১। পড়িবার থেকে পাওয়া শিক্ষা
২। সমাজ বা রাস্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক বা অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এর উপর।

 যে মানুষটা খুন হচ্ছে সে যেমন কার সন্তান ঠিক তেমনি যে খুন বা হত্যা করছে সেও কিন্তু কার সন্তান। তাহলে সেই সন্তান এর বাবা বা মা তারা কি তাদের সন্তানকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সেই জ্ঞান টুকু দিতে ব্যর্থ হচ্ছে না ? নাকি আমাদের সমাজের শিক্ষাবিদরা সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা প্রদানে যথেষ্ট নয় ?   

      

Thursday, 10 March 2016

প্রেগ্রামিং এ ডাটা এবং ভেরিয়েবল

প্রেগ্রামিং এ ডাটা এবং ভেরিয়েবল

(১ম খন্ড) - সবুজ কর্মকার 


প্রেগ্রামিং মানেই কোন সমস্যার ও তার সমাধান। বর্তমানে প্রতিটা স্তরে কম্পিউটার তথা সফটওয়্যার ব্যবহার হচ্ছে ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ইত্যাদি সব স্তরে কম্পিটার প্রযুক্তি তথা সফটওয়্যার ওতোপ্রোত ভাবে জড়িত। একটু লক্ষ্য করে যদি ভাবেন তাহলে বুঝবেন যে, যত সমস্যা এবং তার সমাধান তা কিন্তু তথ্য বা ডাটার সাথে সম্পর্কযুক্ত । প্রোগ্রামিং এ যখন এই ডাটা ব্যবহার করা হয় তা আগে থেকে কম্পিউটার কে বলে দিতে হয়। একটু সহজ করে বলছি- আমরা বীজ গনিত করেছি সবাই, সেখানে সমীকরন পেয়েছি, যেমন- x = a + b  আমরা এই সমীকরন থেকে বুঝতে পারি যে, x, a, b তিনটা আলাদা আলাদা ভেরিয়েবল। a, b এর মান যোগ করে যা হবে তা x এর মানের সমান হবে। আবার x > a + b এর মানে হল a, b এর মান যোগ করে যে যোগফল হবে তার চেয়ে বড় মান হবে x এর মান
ধরুন আপনি যোগ করার প্রোগ্রাম করবেন, সে ক্ষেত্রে প্রথমেই ভাবতে হবে আপনি কয়টা সংখ্যার যোগ করবেন। যদি আপনি তিনটা সংখ্যার যোগ করেন চান তাহলে আপনাকে সংখ্যা তিনটা রাখার জন্য তিনটা কন্টেইনার বা পাত্র লাগবে। আর  যোগফল রাখার জন্য আরেকটা পাত্র বা কন্টেইনার লাগবে।
 

  চিত্রের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই যে,  A, B, C এবং X  চারটা ভেরিয়েবল। আপনি তিনটা সংখ্যার যোগ করতে চাচ্ছেন তাই আপনাকে তিনটা ভেরিয়েবল ব্যবহার করতে হবে। আর যোগফল সংরক্ষন করার জন্য আপনাকে আরেকটা ভেরিয়েবল ব্যবহার করতে হবে। এভাবে আপনি যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ বা যে কোন গানিতিক হিসাব করতে পারবেন ভেরিয়েবল ঘোষনা (declare) করে

  


Visit Youtube

Wednesday, 9 March 2016

মানুষের মস্তিস্ক এবং মাইক্রোপ্রসেসর

human brain nd processor
প্রতিদিন মানুষ বিভিন্ন ধরনের কাজ করে। কোন কাজটি করতে কি পরিমান গুরুত্ব ও মন স্থির করতে হয় তা কিন্তু কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না। মস্তিস্ক বুঝে নেয় কোন কাজের কি পরিমান গুরুত্ব। আপনি যখন হেটে বেড়ান তখন সে কাজ খুব সহজ আপনার কাছে (হাটাও এক প্রকার কাজ), আপনি একই সাথে অন্য চিন্তা করতে পারেন। অর্থাৎ একই সাথে দুইটি কাজ করতে পারেন (চিন্তা করাও এক প্রকার কাজ) । আবার আপনি চাইলে তখন হাতে কোন ব্যাগ বা অন্য কিছু বহন করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি একই সাথে অনেক কাজ করতে পারেন। আবার ধরুন, আপনি একটি কঠিন কাজ এর মধ্যে ডুবে আছেন। এই সময় অন্য কোন প্রকার কাজ আপনার মাথায় ঢুকছে না। এর মানে আপনার মাথায় তখন শুধু একটাই কাজ হয় মস্তিস্ক দ্বারা । অর্থাৎ সেই কাজের গুরুত্ব অন্য সব কাজের তুলনায় বেশি তাই অন্য কাজ থাকলেও তা পরে করার আপনি তথা আপনার মস্তিস্ক সিদ্ধান্ত নেয়।
ঠিক একই ভাবে কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর, মস্তিস্কের ন্যায় কাজ করে। যে কমান্ড বা প্রোগ্রাম এর গুরুত্ব বেশি সেই কমান্ড বা প্রোগ্রাম আগে সম্পাদন (Execute) হয়। সাধারণত কম্পিউটার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে। অর্থাৎ যে প্রোগ্রামটি আগে করার কমান্ড দিবেন সে প্রোগামটি আগে সম্পাদন হবে। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যাতিক্রম দেখা যায়। যদি আপনি কোন মিডিয়া প্লেয়ার অন করে সাথে সাথে কম্পিউটার রিস্টার্ট দেয়ার কমান্ড দেন তাহলে প্রসেসর প্রথমে রিস্টার্ট এর কাজটা আগে করবে।
          Ads
ঠিক একই ভাবে মানুষের মস্তিস্কও কাজ করে। যে কাজের গুরুত্ব বা অগ্রাধিকার বেশি সেই কাজ আগে সম্পাদিত হয়।
এবার আসুন মস্তিস্ক আর প্রসেসরকে শ্রেনীতে ভাগ করি। একটু হাসার কথা তাই না? আমরা জানি ইন্টেল এর প্রসেসরকে কিভাবে গুণগত মানানুসারে ভাগ করা হয়। প্রথমে বাজারে আসে ইন্টেল পেন্টিয়াম প্রসেসর তার পর ডুয়েল কোর তারপর কোর আই থ্রি তারপর কোর আই ফাইভ ইত্যাদি। অর্থাৎ দিন দিন প্রসেসর এর গতি ও মানের উন্নত হচ্ছে।
এবার আসুন মানুষের মস্তিস্কের শ্রেনী বিভাগের কথা বলি। একটা কথা প্রচলিত আছে, যে ছেলে বা মেয়ে পড়াশুনায় ভাল তার মস্তিস্ক তত ভাল। আর যে পড়াশুনায় বা কাজে ভাল না তার মস্তিস্কও ভাল না। সে ব্যাক্তির কাজ করতে বেশি সময় লাগে বা কাজ করতে গিয়ে থেমে যায়।
যাই হোক আমরা কিছু মিল দেখলাম মানুষের মস্তিষ্ক আর মাইক্রেপ্রসেসর এর মধ্যে। এবার একটু অমিল এ আসি, দিন দিন প্রসেসরের গুণগত মানের উন্নতি হচ্ছে কিন্তু লক্ষ্য করে দেখবেন মানুষের মস্তিস্কের গুণগত মানের আসলেই কি উন্নতি হচ্ছে?
ধন্যবাদ সবাইকে সম্পূর্ণ লেখাটা পড়ার জন্য।

Visit Youtube

Entrepreneurship & IT Industry in Bangladesh

Every year a large number of young people complete their graduations from different Universities and Colleges. From them a large amount of students start business as a fresh Entrepreneur. But a little number of entrepreneurs start their business with IT (Information Technology) related Industry. For this vital reason the IT industry of our country is not strong that we expect. But if we see our past we can say the present IT Sector of Our Country is Stronger than before. Now IT business is the most popular business in the world. If we see developed countries we understand their IT sector is very strong. So they earn a lot from the IT industry. We know the world biggest rich man Bill gates who is the founder of Microsoft in United State of America. He started his business as an IT Entrepreneur. Beside Microsoft a good number of IT Companies play a great role to change the world such as Intel, Apple and IBM etc. Finland, Singapore, Sweden, Netherland, Norway, Switzerland, USA, Japan which have the best digital IT infrastructure in the world. IT industry of our country offers us Software Solution Network Solution and Hardware solution. There are different Software Companies in our country. They serve banking software, office management software and Mobile application software etc. Now Bangladeshi Mobile Developers develops quality Apps for Different mobile platform such as Android, IOS, java and Windows. Our developers now create different kind of games for Computer and Mobile. It is a matter of great glory of us that Our Software sells Outside of our country.

“The information Technology industry in Bangladesh has gradually come of age and today accounts for more than T aka 25 billion or USD350 million in annual revenues. Twenty years ago the IT industry was predominantly a hardware vendors market with little or no value addition locally. Today more than 320 software and IT services firms registered as members of the Bangladesh Association of Software and Information Services (BASIS)
Untitled
The growth in BASIS membership is significant for the IT industry for a number of reasons:
  1. It indicates a deepening of the IT skills available locally
  2. It manifests growing confidence of global and local buyers on local IT talent
  3. It marks a clear departure from the traditional entrepreneurship model based on physical- labor-intensive production industries.”
Bangladesh government has declared that Bangladesh is going to be a “Digital Bangladesh”. To make Bangladesh Digital government has taken different kinds of projects. There are different kinds of IT sectors who are working for the developing a Digital Bangladesh. Basically it is not possible to make Bangladesh Digital without developing IT sector. In Bangladesh now we are using 3G network some people in some fixed area. This is one of the big obstacles to develop a good network. First we have to make a good communication medium with all the people using internet or any wireless medium. The network speed is not satisfactory in the rural area of our country. The network bandwidth is not also satisfactory. On the other hand Internet Charge is high for all class of people of our country. This is why most of the village people cannot use internet. To make a good IT market first we have to all aware of the benefit of the IT. Common people of our country are not aware of IT. If we can use our IT to all our daily activities, we will be successful and our IT market will be stronger that we expect. There is big problem that our investors are not very eager to invest money in this Sector. That is why the number of IT Industry in our country is less than developed countries. A big amount of revenue comes from freelancing and outsourcing. A good number of freelancers work on oDesk and Elance. oDesk and Elance are most popular outsourcing website. Our young people work on oDesk and Elance and they earn money from online work place. They work on data entry, graphics design, web development, Software development etc. But to withdraw money policy is not satisfactory in Bangladesh. PayPal and other money bearing service are not very good in Bangladesh. So government should take necessary step to make easy this system.
IT solution makes our life easy and more comfortable. The uses of IT are related to our day to day life. E-commerce is one kind of solution that is changing our business system. To buy a product we go to market. But E-commerce or online markets save our times. Now we can buy different kinds of product from Internet in at home at any time. An internet user who must have mater card or any supported banking account buy product from online website. E-commerce now comes to the new system of business in Bangladesh. Most of the IT developed countries use online market or E-commerce.

Conventional banking process is now going to online banking process where IT is related mostly. Most of the bank of our country offers different kinds of online banking services. User can easily check his/her account balance, transfer balance etc services from internet using mobile or computer. Now different kinds of payment policy have added to our banking services such as electricity bill, phone bill, insurance bill etc. All banking services have been produced by Data base software such as SQL, Oracle etc. So in this case IT has made easier system for bank user and bank executive. 
The network system has changed the distance. We need not to go to any where to give message. Now we can easily send text, image, audio and video message to anyone from anywhere using Internet. There are many network companies in our country. They all are working for developing our network. A good number of IT experts work in Network Company. Grameen Phone, Banglalink, Teletalk, Robi, Airtell, Citycell etc are the big network company in Bangladesh. Now they all offers 3G network for development of good network in Bangladesh. From the Networking sector Bangladesh earn a lot.
In the conclusion we can say the IT (Information Technology) Industry is growing up in Bangladesh. Now- a-days a good number of students study in Computer Science and Engineering and they want to start their carrier as IT developer or developing IT related Industry. Our government also works for “Digital Bangladesh” that means IT developed Bangladesh.
Reference: Daily Star News paper.


ভবিষ্যৎ ও জীবন

maxresdefault
ভবিষ্যৎকে আধার করে সবাই আজকের নির্ণয় করতে চায়। ভবিষ্যৎ সুখময় হবে, সুরক্ষিত হবে এমন নির্ণয় আজ করার প্রয়াস করতে থাকে সবাই। আপনি নিজের জীবনেই দেখুন, আপনার অধিকতর নির্ণয়য়ের মূলে ভবিষ্যৎ এর চিন্তা থাকে না ?
আর কেনইবা হবে না? নিজের জীবনকে সহজ ও সুখময় করে গড়ে তোলার প্রচেস্টা করার অধিকার সবার আছে। কিন্তু ভবিষ্যৎ তো কেউ জানে না। কেবল কল্পনাই করা যেতে পারে। তবে জীবনের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্ণয় কল্পনার উপর নির্ভর করেই আমরা করি। এই নির্ণয় করার দ্বিতীয় কোন পথ হতে পারে? বিবেচনা করুন।
সমস্ত সুখের আধার ধর্ম আর সেই ধর্ম মানুষের হৃদয়ে স্থাপিত। অতএব প্রত্যেক নির্ণয়য়ের পূর্বে স্বয়ং নিজের হৃদয়কে প্রশ্ন করে নিন, যে এই নির্ণয় স্বার্থ থেকে জন্মেছে নাকি ধর্ম থেকে। এই টুকুই কি যথেষ্ট নয়? ভবিষ্যৎ এর বদলে ধর্মের বিচার করলে কি ভবিষ্যৎ অধিক সুখময় হয়ে উঠবে না? স্বয়ং বিচার করুন।
                                                                                                                - সংগ্রহ মহাভারত

প্রার্থনা হউক সকলের রবীঠাকুরের এই কবিতা বা গান ...

tagore
প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে
মোরে   আরো আরো আরো দাও প্রাণ।
তব ভুবনে তব ভবনে
মোরে   আরো আরো আরো দাও স্থান ॥
আরো আলো আরো আলো
এই      নয়নে, প্রভু, ঢালো।
সুরে সুরে বাঁশি পুরে
তুমি    আরো আরো আরো দাও তান ॥
আরো বেদনা আরো বেদনা,
প্রভু,   দাও মোরে আরো চেতনা।
দ্বার ছুটায়ে বাধা টুটায়ে
মোরে   করো ত্রাণ মোরে করো ত্রাণ।
আরো প্রেমে আরো প্রেমে
মোর    আমি ডুবে যাক নেমে।
সুধাধারে আপনারে
তুমি    আরো আরো আরো করো দান ॥

অপারেটিং সিস্টেম, পর্ব-১

আমরা আমাদের কম্পিউটার বা মোবাইল এ ভিবিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করি। সফটওয়্যার দিয়ে আমরা কোন সমস্যার সমাধান করে থাকি। আপারেটিং সিস্টেমও এক ধরনের সফটওয়্যার যাকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। আসলে আমরা যে সব ডিজিটাল ডিভাইজ দেখি তা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর সমন্বয়ে গঠিত ও পরিচালিত। মোবাইল বা কম্পিউটার মূলত হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার ব্যাতীত কল্পনা করা যায় না। হার্ডওয়্যার কে পরিচালনা করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ব্যাবহার করা হয়। তাই অপারেটিং সিস্টেম এর গুরুত্ব অনেক বেশী।
কম্পিউটার এ ব্যাবহারিত হয় এমন কিছু অপারেটিং সিস্টেম হলঃ
১। লিনাক্স (Linux)
২। ইউনিক্স (Unix)
৩। উইন্ডোস (Windows)
৪। ম্যাকিন্টোস (Mac)
মোবাইল এ ব্যাবহারিত হয় এমন কিছু অপারেটিং সিস্টেম হলঃ
১। এন্ড্রয়েড (Android)
২। ব্লাকবেরি (BlackBerry)
৩। আইওএস (IOS)
৪। উইন্ডোস (Windows)
ইউজার,আপ্লিকেশন সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এদের সাথে অপারেটিং সিস্টেম এর কি রকম সম্পর্ক তা আমরা নিচের চিত্রের মাধ্যমে বুঝতে পারি।
os define
চিত্র থেকে আমরা দেখতে পাই যে, ইউজার বা ব্যাবহারকারী সরাসরি অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে যুক্ত না। সুতরাং ইউজার চাইলেও অপারেটিং সিস্টেম এর প্রোগ্রাম পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবে না। ইউজার আপ্লিকেশন সফটওয়্যার সরাসরি ব্যাবহার করে। আপ্লিকেশন সফটওয়্যার হল সেই সফটওয়্যার যা আমরা নিয়মিত মোবাইল বা কম্পিউটার এ ব্যাবহার করি। আপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যাবহার এর জন্য অপারেটিং সিস্টেম এর সাহায্য নেয়া হয়ে থাকে। হার্ডওয়্যার কে কিভাবে এবং কতটুকু ব্যাবহার করবে তা এক জন ইউজারকে অপারেটিং সিস্টেম এর সাহায্য নিয়ে করতে হয়। অপারেটিং সিস্টেম মূলত কম্পিউটার বা ডিভাইস এর ম্যানেজার হিসেবে কাজ করে।

Visit Youtube

মানুষের জীবনে ভালবাসা (১ম খন্ড)

‘ভালবাসা’ শব্দটা আমাদের সকলের কাছে খুব পরিচিত। এ শব্দটি নিয়ে কত কবি - কবিতা, কত লেখক - উপন্যাস, কত গীতিকার - গান লিখেছেন তার সঠিক হিসাব মনে হয় কার কাছে নেই। ভালবাসা কি? তা কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না। এটা এমন এক অকৃতিম টান যা মনের গভীর থেকে আসে। মানুষের সম্পর্কের সাথে ভালবাসার সম্পর্কটাও ভিন্ন হয়ে থাকে।
বাবা-মায়ের প্রতি বা ভাই-বোনের প্রতি যে ভালবাসা তা নিয়ে কার বিশ্লেষন বা বিতর্ক নেই। কিভাবে একটি ছেলে বা একটি মেয়ের জীবনে ভালবাসা আসে ? আমি আগেই বলে নিচ্ছি আমি কোন পেশাদার লেখক নই যে নির্ভুল ও চন্দময় করে লিখতে পারে। তবে আমি কোন পছন্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভালবাসি। কিভাবে ছেলেদের জীবনে ভালবাসা আসে ? কিছু ছেলে প্রথম দেখাতেই কোন মেয়েকে ভালবেসে ফেলে। এরকম অনেক ছেলেই তার ভালবাসার অনুভূতি প্রকাশ করেছে। আবার কেউবা কার সাথে কথা বলতে বলতে কার প্রেমে পরে যায়। আমি এই লেখাটার পূর্বে কিছু মানুষের কাছ থেকে জেনেছি যে – কিভাবে তাদের ভালাবাসা এসেছিল। কেউ কেউ এই ভাবে প্রকাশ করেছে যে, মূলত দুজন দুজনকে দেখা, কথা বলা, একটু একটু ভাল লাগা, গভীর ভাবে নিজেদের জানা ইত্যাদি ইত্যাদি তারপর ভালবাসার আসে তাদের জীবনে। অনেকেই আবার ভালবাসাকে শুধু আবেগ বলে মনে করে। কিছু মানুষ ভালবাসাকে শুধু মানসিক ভাবে গ্রহন করে আবার কেউবা শারীরিকভাবে । তাই মানুষের বুদ্ধি-জ্ঞান আর চরিত্রভেদে ভালবাসার ভিন্ন রুপ হয়ে থাকে।

ভালবাসা কি ধর্ম বা সম্প্রদায় ভেদে মানুষের জীবনে আসে? নাকি ধর্ম বা সম্প্রদায় কে ভুলেই ভালবাসা আসে? এ নিয়ে কিছু মানুষের সাথে কথা হয়েছে। কেউ কেউ এর উওর এই ভাবে দিয়েছে যে- আমি যাকে ভালবেসেছি সে কোন বর্ণ বা সম্প্রদায়ের তা আমার কাছে মুখ্য হয়ে উঠেনি বরং তার প্রতি আমার সূক্ষ্ম ভালবাসা সব জাত কূলকে হার মানিয়েছে । মানে ভালবাসার কাছে অন্য বাহ্য সব কিছু যে তুচ্ছ তা প্রকাশ করেছে। আমার কেউ কেউ এই ভাবে বলেছে যে, ভালবাসার মানুষ কে নিয়ে সুখের ঘর বাধব আর সে যদি হয় ভিন্ন ধর্মের বা সম্প্রদায়ের তাহলে কি করে তা সম্ভব। তাই তারা মনে করে ভালবাসার পূর্বে ভালবাসার মানুষটির ধর্ম আর সম্প্রদায় জানা জরুরি। কিন্তু ভালবাসা মানুষের জীবনে কি সত্যি কিছু নিয়ম মেনে আসে না হয়? স্বয়ং বিচার করুন।




চোখের আলোয় দেখেছিলেম...... (রবীন্দ্রসংগীত)

tagore
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে
অন্তরেতে আজ দেখব যখন আলোক নাহিরে ।।
ধরায় যখন দাও না ধরা
হ্রদয় তখন তোমায় ভরা
এখন তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহিরে ।।
তোমায় নিয়ে খেলেছিলেম খেলার ঘরেতে
খেলার পুতুল ভেঙ্গে গেছে প্রলয় ঝড়েতে
থাক তবে সেই কেবল খেলা
হউক না এখন প্রানের মেলা
তারের বিনা ভাঙ্গল, এখন হ্রদয় বিনায় গাহিরে
চোখের আলোয় দেখেছিলেম
চোখের বাহিরে ।।

Tuesday, 8 March 2016

The Uses and Abuses of Computer

“Computer” is a common name in our modern technology. It is one kind of Electronics Machine. Computer is invented by Howard Akin. Firstly Computer was made for counting. But now it is used for different kinds of works. It has two parts. They are Hardware & Software. It is not possible to describe the uses of Computer by a single word. If we look at the world we can see the people of the world are busy with their works. Their main target is that world must be digitized. Computer may make the world digital. A very difficult work may be easy by using computer. If we see all the offices and business center of the world we can realize that most of the time computer maintains the whole office and business center. Now the world is coming closer day by day. People can be higher educated under Computer Technology. By acquiring a proper knowledge of Computer People can get a good job in home and abroad. By making or developing software a computer Engineer can shine in life. People can study at home by the help of Computer. Even Computer is using in medical science. Software can make the impossible work possible.
It has some demerits. Young people use it for their only recreation. They lose their valuable times. They do not follow the cyber rules. In Internet some bad people called hacker who hack the web site by the help of computer & software.
In spite of some demerits it has great importance. Totally Computer has changed our life and civilization.
1.3.13.waj_.gjelten.800px-Monitoring_a_simulated_test_at_Central_Control_Facility_at_Eglin_Air_Force_Base_(080416-F-5297K-101) 440428-43717-43 Autistic boy 7+ runs computer in class P1010035 VitroCom_Lathe_Photo_448KB

Monday, 7 March 2016

Life is an Exam!

Life is a big exam. When you walk alone you need to think, is this way correct or fearless? If it is fearless, you can walk freely. Otherwise you should not walk on the way. If you walk on the wrong way, you will suffer for your wrong decision. To take right way may not be always easy. So to take right way, you must think when you are going to do something. You cannot do everything as like as you want. Sometimes you need to think for your family, for your society, for your country or for the world.

way

সি প্রোগ্রামিং (C Programming) -বাংলায়

পাঠ-১
প্রোগামিং কিঃ প্রশ্নটার উওর এখন অনেকের কাছে জানা। আমরা মোবাইল বা কম্পিটার এ সফটওয়্যার (Software) ব্যাবহার করে থাকি।
কেন ব্যাবহার করি? আমরা কোন কাজ কে সহজে সমাধান করার জন্য ব্যাবহার করি। শুধু ইনপুট দিয়ে আউটপুট পেয়ে থাকি।
যেমন- আপনি আপনার ফোনে দেখেছেন যে, কন্টাক্ট(Contact) নামে একটা অপশন বা সফটওয়্যার আছে। যা দিয়ে আপনি ফোন নম্বর সেইভ, সার্চ বা ডিলিট করতে পারেন। আর এই কাজটি করার জন্য যে পদ্ধতি অনুসরন করা হয় তাকেই প্রোগ্রামিং (Programming) বলে।
সি প্রোগ্রামিং (C Programming): সি প্রোগামিং একটা প্রোগ্রামিং ভাষা যা ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৬৯ সালে আবিস্কার করেন । কম্পিটার মানুষের ভাষা বোঝে না তাই তাকে তার ভাষায় নিয়ন্ত্রন করা হয় । আর তাই প্রোগ্রাম বা Software তৈরি করার জন্য প্রোগ্রামিং ভাষা জানতে হয়। এখন পর্যন্ত অনেক প্রোগ্রামিং ভাষা আবিস্কার হয়েছে যা ব্যাবহার করে প্রতিদিন বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। যারা প্রোগ্রাম প্রাথমিক ভাবে শিখতে চান তাদের জন্য সি প্রোগ্রামিং শেখা আবশ্যক।
এডিটর এবং কম্পাইলার (Editor And Compiler): এডিটর হল এমন এক প্রকার সফটওয়্যার যেখানে প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যাবহার করে প্রোগ্রাম রচনার জন্য কোড (Code) করা হয়। আর এডিটরে লিখিত কোড কে সোর্স কোড (Source Code) বলে ।
সোর্স কোড কম্পিউটার সরাসরি বোঝে না তাই এই কোডকে মেশিন বা বাইনারি (Binary) কোডে রূপান্তরিত করে কম্পাইলার (Compiler).
সি প্রোগ্রাম করার জন্য প্রথমেই আমাদের এডিটর ডাউনলোড করতে হবে। আমরা Code Block নামের জনপ্রিয় কম্পাইলারসহ এডিটর ডাউনলোড করব এই লিঙ্ক থেকে http://sourceforge.net/projects/codeblocks/…
এছাড়া একটি ভিডিও দেয়া হল যার সাহায্যে আপনি Code Block ডাউনলোড এবং ইন্সটল করতে পারবেন।
আজ আর নয়। আশা করি পাঠ-২ এ সি প্রোগ্রামের ফরম্যাট ও কিভাবে Code লিখে প্রোগ্রাম রান করতে হয় তা শিখব।
-ধন্যবাদ সবাইকে

কম্পিউটার কেনার পূর্বে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন


আজ যে বিষয় নিয়ে লিখব তা আপনাদের অনেকের জানা কিন্তু যারা এখনও কম্পিউটার কেনার পূর্বে খুব বিপাকে থাকেন পোস্টটি মূলত তাদের জন্য । যারা ডেস্কটপ কেনার কথা ভাবছেন তাদের আলাদা আলাদা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কিনতে হয় যেমনঃ ১। মনিটর ,২। মাদারবোর্ড, ৩। প্রসেসর, ৫।র‍্যাম, ৯। হার্ডডিস্ক,৮। ডিভিডি রাইটার/অপটিক্যাল ড্রাইভ ,  ৭। পাওয়ার সাপ্লাই, ১০। কীবোর্ড ,১১। মাউস,(চিত্রানুসারে) ইত্যাদি ।


2000px-Personal_computer,_exploded_4.svg

এগুলো কেনার পূর্বে আপনি যে দুটি বিষয় নিয়ে খুব ভাবেন তা হলঃ
১। মূল্য
২। এর গুনগত মান
যে প্রোডাক্টটা আপনি কিনবেন তার মডেল লিখে আপনি ইন্টারনেট থেকে খুজে নিতে পারবেন যে এর বর্তমান বাজার মূল্য কত?
আর গুনগত মান ভাল পেতে চাইলে আপনাকে ভাল ব্র্যান্ড এর হার্ডওয়্যার কিনতে হবে । যেমনঃ প্রসেসরের জন্য ইন্টেল,এএমডি প্রসেসর বাজারে বেশ জনপ্রিয় । গুনগত মান আসলেই ভাল কিনা আপনার কম্পিউটার এর তা প্রমান হবে কম্পিউটার এর পারফরম্যান্স এর উপর । আপনি যখন একটা প্রসেসর কিনবেন তখন মাথায় রাখবেন প্রোসেসরটির ক্লল স্পিড কত? মূলত ক্লক স্পিডের উপর প্রসেসরের স্পিড নির্ভর করে । আবার র‍্যাম যখম কিনবেন তখন দেখবেন এর মেমরি সাইজ কত? ২ জিবি নাকি ৪ জিবি ? আর একটা লক্ষনীয় বিষয় যে ক্যাশ মেমরির সাইজ কত ? প্রসেসর, র‍্যাম, ক্যাশ মেমরি এদের মিলিত কম্বিনেশনে আপনার কম্পিউটার এর স্পিড তথা পারফরম্যান্স নির্ভর করবে।
এবার জেনে নেয়া যাক ক্যাশ মেমরির অবস্থান সম্পর্কেঃ
Cash memory
ক্যাশ মেমরি মূলত সিপিউ এবং মেইন মেমরি বা র‍্যাম এর মাঝখানে অবস্থান করে কম্পিউটার এর কাজের গতির সামঞ্জস্যতা নিয়ন্ত্রন করে । তাই ক্যাশ মেমরির গুরুত্ব যথেষ্ট।
তাই আপনি আপনার কম্পিউটার কেনার পূর্বে অবস্যই কথা গুলো ভেবে দেখবেন।
আজ আর নয় । সবাই ভাল থাকবেন ।


Visit Youtube