Wednesday, 9 March 2016

মানুষের জীবনে ভালবাসা (১ম খন্ড)

‘ভালবাসা’ শব্দটা আমাদের সকলের কাছে খুব পরিচিত। এ শব্দটি নিয়ে কত কবি - কবিতা, কত লেখক - উপন্যাস, কত গীতিকার - গান লিখেছেন তার সঠিক হিসাব মনে হয় কার কাছে নেই। ভালবাসা কি? তা কাউকে শিখিয়ে দিতে হয় না। এটা এমন এক অকৃতিম টান যা মনের গভীর থেকে আসে। মানুষের সম্পর্কের সাথে ভালবাসার সম্পর্কটাও ভিন্ন হয়ে থাকে।
বাবা-মায়ের প্রতি বা ভাই-বোনের প্রতি যে ভালবাসা তা নিয়ে কার বিশ্লেষন বা বিতর্ক নেই। কিভাবে একটি ছেলে বা একটি মেয়ের জীবনে ভালবাসা আসে ? আমি আগেই বলে নিচ্ছি আমি কোন পেশাদার লেখক নই যে নির্ভুল ও চন্দময় করে লিখতে পারে। তবে আমি কোন পছন্দের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভালবাসি। কিভাবে ছেলেদের জীবনে ভালবাসা আসে ? কিছু ছেলে প্রথম দেখাতেই কোন মেয়েকে ভালবেসে ফেলে। এরকম অনেক ছেলেই তার ভালবাসার অনুভূতি প্রকাশ করেছে। আবার কেউবা কার সাথে কথা বলতে বলতে কার প্রেমে পরে যায়। আমি এই লেখাটার পূর্বে কিছু মানুষের কাছ থেকে জেনেছি যে – কিভাবে তাদের ভালাবাসা এসেছিল। কেউ কেউ এই ভাবে প্রকাশ করেছে যে, মূলত দুজন দুজনকে দেখা, কথা বলা, একটু একটু ভাল লাগা, গভীর ভাবে নিজেদের জানা ইত্যাদি ইত্যাদি তারপর ভালবাসার আসে তাদের জীবনে। অনেকেই আবার ভালবাসাকে শুধু আবেগ বলে মনে করে। কিছু মানুষ ভালবাসাকে শুধু মানসিক ভাবে গ্রহন করে আবার কেউবা শারীরিকভাবে । তাই মানুষের বুদ্ধি-জ্ঞান আর চরিত্রভেদে ভালবাসার ভিন্ন রুপ হয়ে থাকে।

ভালবাসা কি ধর্ম বা সম্প্রদায় ভেদে মানুষের জীবনে আসে? নাকি ধর্ম বা সম্প্রদায় কে ভুলেই ভালবাসা আসে? এ নিয়ে কিছু মানুষের সাথে কথা হয়েছে। কেউ কেউ এর উওর এই ভাবে দিয়েছে যে- আমি যাকে ভালবেসেছি সে কোন বর্ণ বা সম্প্রদায়ের তা আমার কাছে মুখ্য হয়ে উঠেনি বরং তার প্রতি আমার সূক্ষ্ম ভালবাসা সব জাত কূলকে হার মানিয়েছে । মানে ভালবাসার কাছে অন্য বাহ্য সব কিছু যে তুচ্ছ তা প্রকাশ করেছে। আমার কেউ কেউ এই ভাবে বলেছে যে, ভালবাসার মানুষ কে নিয়ে সুখের ঘর বাধব আর সে যদি হয় ভিন্ন ধর্মের বা সম্প্রদায়ের তাহলে কি করে তা সম্ভব। তাই তারা মনে করে ভালবাসার পূর্বে ভালবাসার মানুষটির ধর্ম আর সম্প্রদায় জানা জরুরি। কিন্তু ভালবাসা মানুষের জীবনে কি সত্যি কিছু নিয়ম মেনে আসে না হয়? স্বয়ং বিচার করুন।




No comments:

Post a comment