Saturday, 11 November 2017

একটি কম্পিউটার এর প্রধান হার্ডওয়্যার গুলো কি কি ?

কম্পিউটার এখন আমাদের নিত্য সঙ্গী। প্রতিটা সময় আমাদের সাথে থাকে কম্পিউটার। আজ আমরা জানব এই কম্পিউটার এর প্রধান প্রধান হার্ডওয়্যারের অংশ নিয়ে।  
সে সকল হার্ডওয়ার নিয়ে গঠিত হয় একটি কম্পিউটার তা নিচে লেখা হলঃ

১। সিপিউ ( CPU)

সিপিউ হল কম্পিউটার এর অন্যতম প্রধান হার্ডওয়্যার। যদি আমরা মানুষের সাথে চিন্তা করি তবে সিপিউ হল মানুষের মস্তিস্কের মত। সকল চিন্তা ভাবনা আর প্রসেজ এই সিপিউ অংশে ঘটে থাকে। CPU এর পূর্ণ নাম হল- Central Processing Unit. একে প্রসেসর বা মাইক্রোপ্রসেসরও বলা হয়। সিপিউ কে দুইটি অংশে ভাগ করা হয়- 1. গানিতিক/যৌক্তিক অংশ (Arithmetic/ Logic Unit ) 2. নিয়ন্ত্রন অংশ(Control Unit)

২। মেমরি (Memory):

 মেমরি চিনে না এমন লোক সংখ্যা খুবই কম। আমরা মোবাইলে মেমোরি ব্যবহার করি। অডিও গান, ভিডিও গাণ, ছবি, লেখা, ইত্যাদি মেমরিতে জমা রাখি। কম্পিউটারেও সেরকম মেমরি ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটারে যে সকল মেমরি আমরা ব্যবহার করি তা দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়- ১। স্থায়ী মেমরি ২। অস্থায়ী মেমরি
স্থায়ী মেমরি গুলো হল- হার্ডডিস্ক  (Hard disk), রম (ROM), ফ্লোপিডিস্ক ইত্যাদি।

Ads

অস্থায়ী মেমরি হল- র‍্যাম (RAM- Random Access Memory). আমরা যখন কোন সফটওয়্যার ওপেন কাজ করি তা মূলত থাকে অস্থায়ী ভাবে থাকে র‍্যামে। যখন সেইভ করি তখন তা হার্ডডিস্ক  এ জমা হয়।


৩। ইনপুট/আউটপুট ডিভাইজ(I/O device):

মাউস, কীবোর্ড, মনিটর, স্পীকার এসব হল ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইজ বা যন্ত্র। সিপিউ কে কোন কাজের জন্য নির্দেশ দেয়ার জন্য ইনপুট ডিভাইজ ব্যবহার করা হয়। যেমন- মাউস ও কিবোর্ড
কম্পিউটার এর থেকে কোন কোন আউটপুট পেতে হলে আমাদেরকে ব্যবহার করতে হয় আউট পুট ডিভাইজ। যেমন- মনিটর, স্পীকার, প্রিন্টার ইত্যাদি।   
           


৪। মাদার বোর্ড বা মেইন বোর্ডঃ

সিপিউ/প্রসেসর, মেমরি, ইনপুট/আউটপুট ডিভাইজ ইত্যাদি সংযুক্ত করা হয় মাদার বা মেইন বোর্ডে । এর সাথে কিছু বাস বা তার যুক্ত করে বাকি সকল হার্ডওয়্যার কে সংযুক্ত করা হয়।  





Visit Youtube

Thursday, 2 November 2017

Understandable feelings is better than delivering feelings



Every day we talk to many people for a different purpose. We talk to our family members, neighbor, teachers, friends, classmates, colleagues, relatives and so on. If we can’t express our feelings properly, it gives us pain.

Suppose, you want to tell an important thing to your friend, but he/she can’t catch your feelings properly. What will happen then? This contradiction is not acceptable at all. If your feelings can be understandable to your friend or the opponent, it will be very pleasant.

So, understandable feelings are better than delivering feelings. How can you make understandable feelings for opponents (the person who will listen to your feelings)?  Here, the important thing is to choose the proper keyword. For this, you must analyze the words that you are going to delivering your feelings. 

Visit Youtube


Saturday, 22 July 2017

কিছু মানুষকে নিয়ে লেখা

মতামত ও মন্তব্য  >> 

বিভিন্ন প্রকারের মানুষ আছে এ জগতে। বিভিন্ন রকম মানুষ হওয়ার পিছনে অবস্য কারনো বিভিন্ন। কেউ কাল, কেউ ফর্সা কিংবা কেউ লম্বা কেউ খাট এসব বিষয় নিয়ে আমি লিখছি না। আজ যাদের নিয়ে লিখব তারা একটা বিশেষ শ্রেনীর। কেউ তাদের কোন কাজে না ডাকলেও তারা লাফিয়ে পরে সেই কাজ উদ্ধার করার চেস্টা করে। আসলে চেস্টা বলাটা ঠিক হবে না, বলা যায় অপচেষ্টা। এই প্রজাতির মানুষগুলো কিন্তু সবার কাজে এগিয়ে আসে না, এরা শুধু মাত্র সুন্দরী মেয়ে দেখলেই তাদের সাহায্য(হেল্প) করার জন্য একেবারে উঠে পরে লেগে যায়। আবার কেউ কেউ আছে শুধু মেয়ে হলেই হল সুন্দরী আবার তাদের কাছে অপশনাল। এরা কিন্তু আমাদের সমাজেই বসবাস করে। আসলে “মানুষের উপকার করা খুব মহৎ কাজ” কিন্তু এরা একটু গায় পরে উপকার করে তাই এখানেই একটু সমস্যা। যাই হোক আজ কাল আবার এসব প্রজাতির মানুষগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতেও আবার উপকার করে যাচ্ছে। আপনি যদি ছেলে হন, ফেইসবুকে বা কোন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করুন দেখবেন গুটি কয়েক লোক আপনার লেখায় বা পোস্টে লাইক বা কমেন্ট করবে। আর ধরুন কোন এক সুন্দরী বা কম সুন্দর হউক, সে বা তারা পোস্ট করলেই হয়, তখন এসব প্রজাতীর মানুষগুলো দেখবেন হুমড়ি খেয়ে ওই পোস্টে লাইক, কমেন্ট করা শুরু করবে। অবাক করার বিষয় হল এই যে, ওই প্রজাতির মানুষগুলো যে ধরনের কমেন্ট করে তা দেখে লেখিকা (যে ভদ্র মহিলা/ মেয়ে পোস্ট করেছে) সে নিজেও অবাক! বুঝেন তাহলে এই শ্রেনীর মানুষ আই মিন পুরুষ গুলো কি রকম প্রজাতির।    




Visit Youtube